জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর রাজস্ব খাত সংস্কারের নতুন ফলাফল ও বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, চলমান সংস্কার কার্যক্রমের ফলে রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক ফল পেতে শুরু করেছে। নিচে এই সংস্কার উদ্যোগগুলো ও এর ফলাফলগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
রাজস্ব আয় বৃদ্ধি:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই–ডিসেম্বর সময়ে এনবিআর মোট রাজস্ব আয় হয়েছে Tk১,৮৫,২২৯ কোটি, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় Tk ২৩,০২০ কোটি বেশি।
- এই আয়ের বৃদ্ধি এনবিআরের চলমান সংস্কার ও ডিজিটাল উদ্যোগগুলোর সরাসরি ফল বলে বোর্ডটি মনে করছে।
মূল সংস্কার উদ্যোগ ও কর্মসূচি:
- রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনার বিভাজন:
- Revenue Policy and Revenue Management Ordinance, 2025 জারি করে রাজস্ব নীতি নির্ধারণ ও রাজস্ব সংগ্রহ কর্মকাণ্ডকে পৃথক করে দেওয়া হয়েছে, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।
- ডিজিটাল রূপান্তর:
- বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় Strengthening Domestic Revenue Mobilization Project (SDRMP) শুরু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে:
- অনলাইন আয়কর রিটার্ন (e-returns) ও অনলাইন পেমেন্ট,
- ই-চ্যালান, ই-ভ্যাট রিফান্ড,
- VAT Smart Invoice সিস্টেম চালু করা হয়েছে।
- এখন পর্যন্ত ৩.৪ মিলিয়ন (34 লাখ+) অনলাইন আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে।
-
- করদাতা বান্ধব উদ্যোগ:
- নতুন VAT রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পেইনে ১,৩১,০০০+ নতুন VAT রেজিস্ট্রেশন পাওয়া গেছে, যার ফলে মোট VAT-রেজিস্টার্ড প্রতিষ্ঠান প্রায় ৭,৭৫,০০০-এ উন্নীত হয়েছে।
-
- কর ফাঁকি ও শুল্ক এড়ানোর প্রতিরোধ:
- কর ফাঁকি রোধ ও করফাঁকির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বিভিন্ন মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।
-
- বাণিজ্য সহজী করণ ও কাস্টমস সংস্কার:
- Bangladesh Single Window (BSW) এর মাধ্যমে ১৯টি সরকারি এজেন্সির সির্টিফিকেট, লাইসেন্স, পারমিট ইত্যাদি অনলাইনে দ্রুত ইস্যু করা হচ্ছে।
- কর ছাড়ের নিয়মে বদল:
- এখন থেকে কোনো কর ছাড় বা ছাড়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হলে সংসদের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ফলাফল ও প্রভাব:
- এসব সংস্কারের ফলে রাজস্ব সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধি এসেছে এবং কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে এনবিআর দাবি করছে।
- যদিও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় মাঝারি সময় পর্যন্ত কিছু ঘাটতি দেখা যায় (প্রথম ছয় মাসে প্রায় ২০% পিছিয়ে ছিল) বলে কিছু পরিসংখ্যান আছে, তবুও সংস্কারের ধারা আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সংক্ষেপে কি লক্ষ্য করা যাচ্ছে?
✅ কাস্টমস ও ভ্যাট-সহ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি
✅ ডিজিটাল ও স্বচ্ছ রাজস্ব ব্যবস্থাপনা
✅ করদাতা-সহায়ক পরিবেশ উন্নয়ন
✅ রাজস্ব নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে পৃথক করে কাঠামোগত সংস্কার
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
Leave a Reply