আয়কর রিটার্ন সময়মতো বা বাধ্যতামূলক না দিলে কী কী বিপদ হতে পারে, সেটা বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হল:
১.আইনগত বাধ্য বাধকতা:
বাংলাদেশে যদি আপনার আয় করযোগ্য আয় থাকে বা টিআইএন (Taxpayer Identification Number) থাকে, তাহলে আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করা আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক এটা ঐচ্ছিক নয়।
২. জরিমানা ও অর্থনৈতিক দায়:
জরিমানার ধারা(Income Tax Act, 2023):
এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে না দিলে আপনার মোট অর্থের ওপর জরিমানা বাড়তে থাকবে।
৩. অতিরিক্ত কর ও সুদের ধার:
আইন অনুযায়ী:
৪. করসুবিধা হারানো:
রিটার্ন ডিউ ডেটে না দিলে অনেক কর ছাড় বাrebate সুবিধা পাওয়া যাবে না, যেমন:
এগুলো যোগ্যতা হারিয়ে যেতে পারে, ফলে আপনাকে বেশি কর দিতে হতে পারে।
৫. দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য সমস্যা:
NBR গত গাইডলাইন বলছে:
৬. ক্রিমিনাল অপরাধ হতে পারে:
অন্যান্য সাধারণ ভুলের থেকে আরও গুরুতর বিষয় হলো:
জিরো রিটার্ন বা মিথ্যা তথ্য দেওয়া:
যদি আয় করযোগ্য না হয়, তবুও সঠিক তথ্য দিতে হয় শূন্য নয়।
৭. অন্যান্য নো–ফাইলিং প্রভাব:
অনলাইন টিআইএন ধারণকারী করদাতারা কিছু ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে লোন, ব্যবসা লাইসেন্স, ভিসা আবেদন ইত্যাদি পেতে সমস্যায় পড়তে পারেন যদি তারা রিটার্ন নিয়মিত দাখিল না করেন (অনেক অভিজ্ঞ পেশাদার মন্তব্য ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ)।
সংক্ষেপে প্রধান ঝামেলা গুলি:
| ধরণ | কি হতে পারে? |
| জরিমানা | 10% বা Tk 1,000 + দৈনিক Tk 50 পর্যন্ত |
| অতিরিক্ত কর/সুদ | মাসিক 2% পর্যন্ত |
| সুবিধা হারানো | কর ছাড়/rebate অনুমোদন হ্রাস |
| সার্ভিস ডিসকানেক্ট | গ্যাস/বিদ্যুৎ বন্ধ (প্রয়োগযোগ্য হলে) |
| অপরাধ | মিথ্যা ঘোষণা → 5 বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড |
শেষ কথা:
তাই যদি আপনার আয় কর রিটার্ন আইন অনুসারে দাখিল করা বাধ্যতামূলক তারিখ রাখুন, সময়মতো জমা দিন, ভুল তথ্য দেবেন না।
দায়িত্বহীনতা শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, আইনি ঝামেলাও তৈরি করতে পারে।
Leave a Reply