জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) আনুষ্ঠানিকভাবে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় “দুই মাস” বাড়ানোর ঘোষণা দেয়নি, তবে দুই মাস বাড়ানোর দাবির বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষ থেকে আলোচনা ও প্রস্তাব উঠেছে। নীচে সেই দাবির পেছনের কারণ, প্রেক্ষাপট ও আপডেটগুলো বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হল:
১) বর্তমান সময় সীমা ও সম্প্রতি সময় বৃদ্ধি:
মূল হিসেবে ২০২৫–২৬ করবর্ষের অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর ছিল।
পরবর্তীতে এনবিআর এক ডফায় সময় বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ করেছে।
এর পর আবার আরেক মাস বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত দাখিলের সময় দেওয়া হয়েছে।
ফলস্বরূপ, মোট দুটি ডফায় মিলিয়ে সময় মোট দুই মাস বাড়ানো হয়েছে মূল নির্ধারিত সময় থেকে (৩০ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি)।
২) সময় বাড়ানোর দাবির মূলকারণগুলো:
অনলাইন নিউজ ও প্রস্তাব অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পক্ষরা সময় বাড়ানোর পেছনে মূল কয়েকটি ভিত্তি তুলে ধরেছে:
অনলাইনই–রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে:
২০২৫–২৬ করবর্ষে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল অনাচ্ছিকভাবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়াই)।
এতে করদাতারা অনলাইন সিস্টেমে দক্ষ নাও হতে পারেন এবং প্রযুক্তিগত/প্রক্রিয়াগত বাধা অনুভব করছেন।
রিটার্ন জমার গতিধীর:
অনলাইন নিবন্ধন অনেক করদাতা করেছেন, কিন্তু বাস্তবে রিটার্ন জমা হওয়ার সংখ্যা অনেকটাই কম ছিলো যা এনবিআরও স্বীকার করেছে।
এ কারণেই সময় বাড়ানোর পক্ষপাতীরা বলছেন সময় আরও দরকার।
প্রযুক্তিগত ও প্রস্তুতির সমস্যা:
অনেকে ই-রিটার্ন সিস্টেম বা রেজিস্ট্রেশন ও ফাইলিং নিয়ে জটিলতা ও প্রস্তুতির সময় বাড়ানোর দাবি করেছেন।
এছাড়া শেষ মুহূর্তে পোর্টালের লোড বা টেকনিক্যাল সমস্যার আশঙ্কা কার্যকর সময় বৃদ্ধি দাবির একটি যুক্তি।
● রাজনৈতিক ও বাস্তবিক পরিস্থিতি
আসন্ন নির্বাচন, অর্থনৈতিক চাপ, বিভিন্ন ব্যবসা-সেবা খাতে স্থবিরতা ইত্যাদি কারণে করদাতারা আরও সময় চেয়েছেন বলে সংবাদে উল্লেখ হয়েছে।
৩) “দুই মাস বাড়ানোর দাবি:
কিছু ক্ষেত্র বা পক্ষ থেকে “দুই মাস সময় বাড়ানোর” প্রস্তাব বা দাবি উঠেছে
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেছেন, যদি পরিস্থিতি বিবেচনায় আবশ্যক মনে হয়, তাহলে সময় আরও বাড়ানো হতে পারে তবে সে বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলা যাচ্ছে না।
৪) পরবর্তী সম্ভাব্য আপডেট:
এনবিআর চেয়ারম্যানের বক্তব্য অনুযায়ী:
দরকারী পরিস্থিতি হলে সময় বাড়ানোর বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে;
তবে বর্তমানে আরেকটি মনোনীত সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলছে।
সারসংক্ষেপ:
| বিষয় | তথ্য |
| মূল সময় | ৩০ নভেম্বর (প্রাথমিক) |
| ১ম বর্ধিত সময় | ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ |
| ২য় বর্ধিত সময় | ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ |
| “দুই মাস বাড়ানোর দাবি” | বিভিন্ন পক্ষের প্রস্তাব/আবেদনের স্তরে আছে, কিন্তু সরকারি ঘোষণা নয় |
| নিকট ভবিষ্যৎ | প্রয়োজন মতো সরকার সময় আবারও বাড়াতে পারে |
Leave a Reply