ডিসিদের (জেলাপ্রশাসক) কাছে নতুন করদাতাদের তালিকা বানাতে দেওয়া নির্দেশের বিস্তারিত নিচে সংক্ষেপ ও মূল পয়েন্টগুলো তুলে দেওয়া হল:
তিন দিনের ডিসি সম্মেলনে(17 ফেব্রুয়ারি2025) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অনেক মানুষ ও পেশাজীবী কর দেওয়ার মতো আয় থাকলেও কর পরিশোধ করছেন না। এজন্য মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে করদাতাদের শনাক্ত ও তালিকাভুক্তি বিষয়ে ডিসি-দের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
ডিসিদেরকে বিভিন্ন পেশা ও আয়-সম্পন্ন ব্যক্তিদের করদাতা তালিকায় আনতে বলা হয়েছে, বিশেষতঃ যারা এখনও কর দেন না:
✔ ব্যবসায়ীরা
✔ চিকিৎসক
✔ আইনজীবী
✔সরকারি ও বেসরকারি চাকরি পেশাজীবী
✔ অন্যান্য গ্রামে-শহরে আয়-সম্পন্ন লোকজন
এদের মধ্যে যারা কর দানের যোগ্য কিন্তু এখনো ট্যাক্স নেটের বাইরে, তাদের বিবরণ সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
রাজস্ব বোর্ড ও অর্থ উপদেষ্টা উভয়ই বলেছেন, দেশের শহর বাদে জেলা-উপজেলা ও গ্রামে করদাতাদের সংখ্যা কম, তাই কর নেট বাড়াতে মাঠ-পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিতে হবে।
বিশেষভাবে বলা হয়েছে:
চিকিৎসক ও আইন জীবীদের আয়-রেকর্ড ঠিক করা এবং রসিদ/ডিজিটাল লেনদেন নিশ্চিত করা যাতে তাদের আয় সরকারি নথিতে আসে এবং কর নেটের আওতায় আনতে সুবিধা হয়।
এনবিআর বিভিন্ন সরকারি তথ্য-সূত্রের সাথে (যেমন বিদ্যুৎ, বণ্টন ডেটা ইত্যাদি) ডেটা মিলিয়ে নতুন করদাতা শনাক্তে উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে নতুন করদাতা সনাক্ত করা যায়।
জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় প্রশাসনকে মাঠ-পর্যায় বিভিন্ন ব্যবসা-পেশা, আয়-সম্পন্ন ব্যক্তির বাস্তব তথ্য সংগ্রহ, ট্যাক্স নেট সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া এবং এনবিআর-এর সাথে সমন্বয় করার দায়িত্বদেওয়া হয়েছে।
✔ কেন্দ্রীয় সরকার ও অর্থ উপদেষ্টা ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছেন করনেট সম্প্রসারণে মাঠ-পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য এবং করদাতা তালিকা তৈরি করতে।
✔ বিশেষভাবে বাইরে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের আয়-সম্পন্ন কিন্তু করদান না করা ব্যবসায়ী ওপেশা জীবীদের শনাক্ত করা হবে।
✔ চিকিৎসক, আইনজীবী ও অন্য পেশাজীবীদের নির্দিষ্ট আয়-সম্বন্ধীয় তথ্য তৈরি করাও ডিজিটাল পেমেন্ট/রসিদ ব্যবহারের মাধ্যমে করনেট-এ আনা হবে।
Leave a Reply