1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 5:17 am
Title :
২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে

আয়কর রিটার্নে ঘোরাঘুরি, টিউশন ফি, ক্রেডিট কার্ড বিলসহ ৯ খরচের হিসাব কেন জানতে চায় এনবিআর

  • Update Time : Tuesday, January 20, 2026
  • 120 Time View

এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) আয়কর রিটার্নে ঘোরাঘুরি, টিউশনফি, ক্রেডিট কার্ড বিলসহ ৯ ধরনের খরচের হিসাব জানতে চায় এর পেছনে কয়েকটি স্পষ্ট উদ্দেশ্য আছে। নিচে কেন জানতে চায়, কোন খরচগুলো, এবংকরদাতার জন্য এর মানে কী সব বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হল:

কেন এনবিআর এই খরচগুলোর হিসাব চায়?

১) আয়ের সাথে খরচের সামঞ্জস্য যাচাই:

আপনি যে আয় দেখাচ্ছেন, সেই আয়ে আপনার জীবনযাত্রার খরচ যৌক্তিক কি না এটা যাচাই করতে।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  • কম আয় দেখিয়ে বেশি খরচ করলে সন্দেহ তৈরি হয়
  • অঘোষিত আয় (কালো টাকা) আছে কি না তা বোঝা যায়

২) কর ফাঁকি রোধ:

খরচের ধরণ বিশ্লেষণ করে এনবিআর বুঝতে পারে:

  • আয় গোপন করা হয়েছে কি না
  • সম্পদ/ব্যয় আয়ের তুলনায় অস্বাভাবিক কি না

৩) ডেটাভিত্তিক কর প্রশাসন:

আধুনিক কর ব্যবস্থায়:

  • ব্যাংক, ক্রেডিট কার্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির তথ্যের সাথে রিটার্ন মিলিয়ে দেখা হয়
  • ঝুঁকিপূর্ণ করদাতাকে আলাদা করে চিহ্নিত করা যায়।

কোন ৯টি খরচের হিসাব সাধারণত চাওয়া হয়?

(রিটার্ন ফরমে এগুলো Statement of Expenses অংশে থাকে)

  1. খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ
  2. বাসাভাড়া/বাসা রক্ষণাবেক্ষণ
  3. যাতায়াত ও ঘোরাঘুরি (ভ্রমণ/ট্যুর)
  4. শিক্ষা ব্যয় (টিউশন ফি, কোচিং, স্কুল/কলেজ)
  5. চিকিৎসা ব্যয়
  6. বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন, ইন্টারনেট
  7. ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অন্যান্য খরচ
  8. ঋণের কিস্তি/ক্রেডিট কার্ড বিল পরিশোধ
  9. উৎসে কর ছাড়া অন্যান্য উল্লেখযোগ্য ব্যয়

বিশেষ করে ক্রেডিটকার্ডবিল ও ভ্রমণখরচ এনবিআর গুরুত্ব দিয়ে দেখে কারণ এগুলো বিলাসী ব্যয়ের ইঙ্গিত দেয়।

ক্রেডিট কার্ড বিল কেন এত গুরুত্বপূর্ণ:

  • বড় অঙ্কের লেনদেন সহজে ধরা পড়ে
  • ব্যাংকের তথ্যের সাথে সহজে মিলানো যায়
  • আয় কম দেখিয়ে বড় বিল পরিশোধ করলে প্রশ্ন ওঠে

এসব তথ্য দিলে করদাতার কী উপকার?

✔ রিটার্ন বিশ্বাসযোগ্য হয়
✔ ভবিষ্যতে নোটিশ/অডিটের ঝুঁকি কমে
✔ কর ফাইল “ক্লিন প্রোফাইল” হিসেবে থাকে
✔ বড় লোন, ভিসা, টেন্ডার ইত্যাদিতে সুবিধা হয়

হিসাব দিতে গেলে কীভাবে দেবেন:

  • বাস্তবসম্মত ও আনুমানিক হিসাব দিন
  • সব খরচের রসিদ না থাকলেও চলে, তবে যেন অযৌক্তিক না হয়
  • আয় ও খরচের মধ্যে লজিক্যাল মিল রাখুন
  • সন্দেহ হলে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট/ট্যাক্স প্র্যাকটিশনারের সাহায্য নিন
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp