এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) বর্তমানে “করজাল সম্প্রসারণ” তথা কর নেট/ট্যাক্স বেস সম্প্রসারণের জন্য একটি ব্যাপক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ হাতে নিয়েছে যাতে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো যায়। এই উদ্যোগটি মূলত এসেছে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর চাপ, রাজস্ব ঘাটতি সামলানো ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য।
এনবিআর কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসনে ১২ টি নতুন কমিশনারেট, কাস্টমস হাউস ও বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করেছে। এর মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামো সম্প্রসারণ, জনবল বৃদ্ধি ও রাজস্ব সংগ্রহে গতি আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ইম্পোর্ট-এক্সপোর্ট-ভ্যাট-কাস্টমস সংক্রান্ত কার্যক্রম আরো কার্যকর হবে বলে মনে করছে বোর্ড।
এনবিআর জানায়, সম্পত্তি (ল্যান্ড/বাড়ি/ফ্ল্যাট) মালিকদের ট্যাক্স নেটের আওতায় আনাই হচ্ছে তাদের লক্ষ্য, কারণ:
এনবিআর বর্তমানে নিচের দিকগুলোর ওপর জোর দিচ্ছে:
✔ ল্যান্ড, বাড়িও ফ্ল্যাট মালিকদের শনাক্ত করণ এবং তাদের TIN-এর তথ্য সংগ্রহ করা
✔ ধরি থাকা/সক্রিয়না থাকা TIN পুনরায় সক্রিয় করা
✔ শহর, পৌরসভা, রাজউক ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ডেটা সংগ্রহ
✔ ব্যক্তি কে করনেট-এ আনতে বাড়ির মালিকদের বিষদ তথ্য ব্যবহার (Secondary survey)
✔ ডোর-টু-ডোর সার্ভে ও তথ্য-শেয়ারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে নতুন করদাতা শনাক্ত করা।
✔ যারা মেটানোর যোগ্য তাদের নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দিতে বাধ্য করা।
এনবিআরের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সম্ভাব্য পরিণতি হতে পারে:
| দিক | এনবিআরের পরিকল্পনা |
| করজাল সম্প্রসারণ | ১২টি নতুন ইউনিট গঠন করে প্রশাসনিক বর্ধন |
| লক্ষ্যমাত্রা | রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি, কর-জিডিপি অনুপাত উন্নয়ন |
| বাড়িওয়ালা টার্গেট | সম্পত্তি মালিকদের TIN সহ ইনকাম ট্যাক্স নেট-এ আনা |
| যেভাবে | ডেটা সংগ্রহ, সার্ভে, অতিরিক্ত অনুসন্ধান ও কমপ্লায়েন্স |
সংক্ষেপে: এনবিআর বর্তমানে কর নেট সম্প্রসারণে নতুন প্রশাসনিক ইউনিট গঠন সহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে যাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানো যায়, এবং এর অংশ হিসেবে ল্যান্ড/বাড়ি/ফ্ল্যাট মালিকদের করনেট-এ আনতে বিশেষ ভাবে লক্ষ্য মাত্রা স্থাপন করা হয়েছে।
Leave a Reply