1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 7:27 am
Title :
২০২৫-২০২৬ করবর্ষে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আর বাড়ছে না ২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে

ডিজিটালাইজেশন না হওয়ায় এনবিআরে ঝামেলা: মো: আবদুর রহমান খান

  • Update Time : Monday, January 12, 2026
  • 162 Time View

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান-এর দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক সময়ে এনবিআরে ডিজিটালাইজেশন না হওয়ায় যে ঝামেলা তৈরি হচ্ছে  তার সংক্ষিপ্ত বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল:-

. ডিজিটা লাইজেশন সম্পূর্ণ না হওয়ায় কি সমস্যা?

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

 এনবিআরের কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি ডিজিটালাইজড হয়নি।
এটা ডিজিটালাইজ করার পরে ম্যানুয়াল (কাগজভিত্তিক) পদ্ধতি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে:

  • না ডিজিটালাইজড প্ল্যাটফর্ম আছে,
  • না ম্যানুয়ালি তথ্য সঠিকভাবে রাখা হচ্ছে,
    ফলে তথ্য-ডাটা সংগ্রহ এবং পাওয়া যাচ্ছে না।
    এ কারণে প্রয়োজনীয় ডেটা বিশ্লেষণ, নীতি নির্ধারণ বা প্রশাসনিক কাজ অনেক সময় নিষ্প্রভ বা বিলম্বিত হচ্ছে।

এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন,

“আমরা ডিজিটাল ব্যবস্থা থেকে তথ্য পেতে চাই, কিন্তু পুরো সিস্টেমই এখনও ডিজিটাল হয়নি। তাই তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাচ্ছে না।”

 . কি কারণে সমস্যা বাড়ছে?

 আগে ম্যানুয়াল রেজিস্টার/নথি থাকতো এবং সেটা থেকে তথ্য সহজে পাওয়া যেত।
 কিন্তু ডিজিটালাইজড সিস্টেম যথেষ্ট প্রসারিত না হওয়ায় এখন:

  • ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল উভয় পদ্ধতি অসম্পূর্ণ আছে,
  • ফলে কোনটি সত্যিকারের রেকর্ড তা পর্যন্ত পরিষ্কার নয়,
  • সরকারি তথ্য-ডাটা সংগ্ৰহ ও বিশ্লেষণে বড় ধরনের খামতি তৈরি হয়েছে।

 এই অবস্থায় একদিকে পুরানো পদ্ধতি বাদ পড়ছে, অন্যদিকে ডিজিটাল সিস্টেম প্রস্তুত হচ্ছে না ফলে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই এবং নীতি সবকিছুই ঝামেলাপূর্ণ হয়ে উঠছে।

 . এনবিআর কি করছে?

এনবিআর ডিজিটালাইজেশনের কাজ ত্বরান্বিত করতে এবং
ডেটা-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সক্ষমতা বাড়াতে চাইছে।

বর্তমানে:

  • ই-টিডিএস সিস্টেম থেকে চালান সিস্টেমে (এসিএস) মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ) ব্যবহার করে লার্জ ভ্যালু ট্রান্সজেকশন চালু হয়েছে।
  • এনবিআর ভবিষ্যতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সিস্টেমে স্থানান্তর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

 . চেয়ারম্যানের মন্তব্যের সার সংক্ষেপ:

 “ডিজিটালাইজেশন না হওয়ায় সঠিক তথ্য পাচ্ছি না।”
 “ম্যানুয়াল রেকর্ড ও ডিজিটাল উভয়ই অসম্পূর্ণ থাকলে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত করা কঠিন।”
 “সুশাসন স্থাপনে দক্ষতার অভাব আছে; ডিজিটাল করতে পারলে তা কমবে।”

 মূল কথা:

এনবিআর-এর পুরো কাজকাজ ডিজিটাল সিস্টেমে বদলে না গেলেই:

  • তথ্য সংগ্রহ কঠিন,
  • প্রশাসনিক শৃঙ্খলা কমে,
  • সরকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন,
  • দিন-পর-দিন ঝামেলা বাড়বে।

এটাই বর্তমানে এনবিআরের বড় সমস্যাগুলোর একটি বলা হচ্ছে।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp