শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন-এর বিস্তারিত বিষয়বস্তু দেওয়া হলো । বিশেষ করে ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫-এর স্মরণে কি ঘটেছে এবং প্রধান উপদেষ্টা কী বলেছেন বিস্তারিত আলোচনা করা হল:-
১. স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন:
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
- ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
- তিনি স্মৃতিসৌধে গিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
- এ সময় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে এবং বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।
- শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাদের, মুক্তিযুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
২. প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ:
এছাড়া আগেই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আগে প্রধান উপদেষ্টা একটি বার্তা বা ভাষণও প্রদান করেছিলেন (যা ১৪ ডিসেম্বরের জন্যই যথার্থ প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছে):
- তিনি বলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে গভীর বেদনা ও কলঙ্কের দিন, যখন ১৯৭১-এ স্বাধীনতার ঠিক আগেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসররা দেশের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছিল।
- শহীদ intellectuals (শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক, লেখক, আইনজীবী, বিজ্ঞানী, শিল্পী, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চিন্তার সংগ্রামে সামনে ছিলেন এবং দেশের মুক্তির আন্দোলনে জনগণের মন একত্রিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
-
- তিনি বলেন এই ঘটনার উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন বাংলাদেশকে মননশীল দিক থেকে দুর্বল ও মূর্খ করে ফেলা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ব্যর্থ হয়েছিল। তিনি শহীদ intellectuals-এর আত্মত্যাগকে স্মরণ করে তাদের চির শান্তি ও মুক্তির জন্য প্রার্থনা জানান এবং বলেন, আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের স্বপ্নের উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়া কাজে মনোনিবেশ করতে হবে।
৩. শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের প্রেক্ষাপট:
যদিও আপনি নির্দিষ্টভাবে প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন, এটা জানা জরুরি:
- ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়। ১৯৭১-এ স্বাধীনতার শেষ দিনগুলোতে পাকিস্তানি বাহিনী ও সহযোগীরা দেশের বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে, যাতে স্বাধীন বাংলাদেশে নেতৃত্ব ও চিন্তার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।
- এই দিনে বিভিন্ন সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ শহীদ intellectuals-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
সংক্ষেপে মূল পয়েন্টগুলো:
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নত করেছেন।
তিনি মিরপুর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং নীরবে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এর আগেও তিনি একটি অনুষ্ঠানিক বার্তা দিয়ে শহীদ intellectuals-এর অতুলনীয় অবদান ও আত্মত্যাগ স্মরণ করেছেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে উন্নত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
Leave a Reply