1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 11:10 am
Title :
২০২৫-২০২৬ করবর্ষে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আর বাড়ছে না ২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে

ভ্যাট রিফান্ডে ভোগান্তি

  • Update Time : Wednesday, December 10, 2025
  • 199 Time View

ভ্যাট (VAT) রিফান্ড প্রক্রিয়ায় ভোগান্তি বিশেষত বাংলাদেশে একটি দীর্ঘদিনের সমস্যার নাম। নিচে সহজ ভাষায় কেন ভ্যাট রিফান্ড পেতে ভোগান্তি হয় এবং কোন কোন ধাপে সমস্যায় পড়তে হয়, তার একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো।

 ভ্যাট রিফান্ডে ভোগান্তির মূল কারণগুলো:

) জটিল দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া:

  • রিফান্ডের আবেদন করতে বহু ধরনের নথি, হলোফনামা, ক্রয়-বিক্রয় তথ্য, চালান, ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ অনেক কাগজ জমা দিতে হয়।
  • একটি তথ্য ভুল থাকলেও ফাইল পেন্ডিং হয়ে যায়।
  • অনেক সময় ফাইল একাধিক টেবিল ঘুরে ঘুরে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকে।

) ইলেকট্রনিক সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা:

  • ই-ভ্যাট সিস্টেম চালু হলেও, অনেক ডেটা ম্যানুয়ালি যাচাই করতে হয়।
  • কখনো সিস্টেম সঠিকভাবে ইনভয়েস ম্যাপ করতে পারে না।
  • আপলোড করা ডকুমেন্ট সিস্টেমে ঠিকমতো দেখা না গেলে পুনরায় জমা দিতে হয়।

) অযৌক্তিক যাচাইবাছাই বিলম্ব:

  • যাচাই করতে গিয়ে কর্মকর্তারা অনেক সময় অতিরিক্ত প্রমাণ চান।
  • অনেক প্রতিষ্ঠানকে অকারণে একাধিকবার পরিদর্শনের সম্মুখীন হতে হয়।
  • ‘ঝুঁকি বিশ্লেষণ’ (Risk-based audit) অনেক সময় স্বচ্ছ নয় যার কারণে রিফান্ডে আরও দেরি হয়।

) রাজস্ব বিভাগের রক্ষণশীল মনোভাব:

  • রিফান্ড মানে সরকারি কোষাগার থেকে টাকা বেরিয়ে যাওয়া তাই সহজে ছাড়তে চায় না।
  • বিনা কারণে ফাইল আটকে রাখা বা সময়ক্ষেপণ একটি সাধারণ অভিযোগ।

) দুর্নীতি অনানুষ্ঠানিক চাপ:

  • রিফান্ডে অনেকে ঘুষ বা “ফ্যাসিলিটেশন ফি” দাবি করার অভিযোগ করে।
  • ঘুষ না দিলে ফাইল দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থাকে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন।

) তফসিলভুক্ত নয় এমন ইনপুট বা ভুল চালান:

  • অনেক প্রতিষ্ঠানের ইনপুট ভ্যাট ‘ডিডাক্টেবল’ হিসেবে গণ্য না হওয়ায় রিফান্ড নাও মেলে।
  • ভুল BIN, ভুল মাশুল কোড, বা অনিবন্ধিত সরবরাহকারীর চালান থাকলেও রিফান্ড আটকে যায়।

) আন্তর্জাতিক মানের রিফান্ড পদ্ধতির অভাব:

  • অনেক দেশে অটোমেটিক বা মাসিক/ত্রৈমাসিক রিফান্ড সিস্টেম আছে,
  • কিন্তু বাংলাদেশে এখনও বেশিরভাগ প্রক্রিয়া ম্যানুয়াল ও কাগজনির্ভর।

 এর প্রভাব কী?

  • ব্যবসায়ীর কর্মরত মূলধন (working capital) আটকে যায়।
  • নতুন বিনিয়োগ ব্যাহত হয়।
  • রপ্তানিমুখী শিল্প বিশেষত গার্মেন্ট বড়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • সরকারের প্রতি আস্থা কমে যায়।

 সম্ভাব্য সমাধান:

  • পুরো রিফান্ড প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় করা।
  • নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রিফান্ড বাধ্যতামূলক করা।
  • স্বচ্ছ অডিট সিস্টেম তৈরি করা।
  • দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর মনিটরিং ও নীতিমালা।
  • সাপ্লাই চেইনে বাধ্যতামূলক ই-ইনভয়েস।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp