1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
November 30, 2025, 9:31 pm

সারা বছর অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাবে, গুনতে হবে বাড়তি টাকা

  • Update Time : Sunday, November 30, 2025
  • 38 Time View

বাংলাদেশের National Board of Revenue (NBR)  বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, “সারা বছর (year-round)” অনলাইনে (e-Return) রিটার্ন দেওয়ার সুবিধা ও “বিলম্ব / দেরিতে দাখিল” করলে কি কি বাড়তি টাকা বা জরিমানা লাগবে  বিস্তারিত বলছি:

 Year-Round রিটার্ন জমা: কেন এবং কী সুবিধা:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  • NBR বলেছে, এখন থেকে ব্যক্তিগত করদাতারা সারাবছর অনলাইনে আয়কর রিটার্ন (e-Return) জমা দিতে পারবেন।
  • এর ফলে, পুরনো নিয়ম অনুযায়ী শুধু নির্দিষ্ট “ট্যাক্স-ডে”র মধ্যে না, বরং বছরের যে কোনো সময়েই রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
  • অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করলে বিশেষ কাগজপত্র দেখাতে বা অফিসে যেতে হয় না; বাসা থেকে খুব সহজে রিটার্ন জমা যায়।

 বিলম্বিত রিটার্ন: কী হার/জরিমানা লাগবে:

যদি আপনি আগামী নির্ধারিত তারিখ (যেমন “ট্যাক্স-ডে” বা সংশ্লিষ্ট সময় সীমা) মিস করেন, তারপরও রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন, কিন্তু নিচের শর্ত ও জরিমানা প্রযোজ্য হবে:

  • NBR জানিয়েছে: “বকেয়া (unpaid) কর”  অর্থাৎ, আপনি যদি নির্ধারিত সময়ের আগে কর পরিশোধ না করেন; এরপর রিটার্ন জমা দিলে, 2% প্রতি মাস (per month) হারে জরিমানা আরোপ হবে।
  • এই ২ % ফ্যানালিটি সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত ধার্য করা হবে। অর্থাৎ যদি আপনি ২৪ মাস পর রিটার্ন দেন, তাহলে সর্বোচ্চ পর্যন্ত ৪৮% জরিমানার বোঝা হতে পারে।
  • সাথে  যারা সময়মতো রিটার্ন দেননি এবং বিনিয়োগ-রিবেট বা কর-ছাড় (tax rebate / exemption) পাওয়ার যোগ্য ছিল  তারা সেই সুবিধাও আর পাবেন না।

কি কোনগ্রেসপরিয়ড (grace period)” আছে:

  • ২০২৫ সালের উদাহরণ হিসেবে  NBR ৩০ নভেম্বরের আগে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ছিল। পরে একমাস বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর দেওয়া যাচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।
  • কিন্তু এই “এক্সটেনশন” শুধুমাত্র নির্ধারিত সীমার (extended deadline) জন্য। তারপরেও, সময় শেষ হলে ২%/মাস জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

কিসব সময়ই % / মাসহবে:

  • NBR–র নিয়ম অনুযায়ী, “বকেয়া কর” (unpaid tax) থাকলে ২%/মাস জরিমানা আরোপিত হবে।
  • তবে, যদি আপনি রিটার্ন দাখিল না করেন তাহলে  আইন অনুযায়ী (ধারা ১৬৬, ১৭৪ ইত্যাদি) ১০% জরিমানা বা ন্যূনতম Tk 1,000 হতে পারে, এবং প্রতিদিন ৫০ টাকা অতিরিক্ত জরিমানা (অতিরিক্ত দেরির জন্য) ধার্য হতে পারে।
  • অর্থাৎ  “দেরিতে রিটার্ন দাখিল  কর না পরিশোধ”  এই দুইয়ের জন্য ঝুঁকি রয়েছে; শুধু দেরি হলেও ২%/মাস; আর কর না দিলে আরও কঠিন জরিমানা।

 আমার পরামর্শ:

যদি আপনার কর দিতে হয়: সময়মতো (Deadline / extended-deadline) রিটার্ন দিন এবং কর পরিশোধ করুন। তাহলে আপনি জরিমানা এড়াতে পারবেন।

  • যদি আপনি সময়মতো না দিচ্ছেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব রিটার্ন  কর পরিশোধ করুন  যাতে ২%/মাস জরিমানা কম হয়।
  • বিশেষ পরিস্থিতিতে (বিনিয়োগ রিবেট, কর ছাড় ইত্যাদি) থাকলে চেষ্টা করুন সময়মতো রিটার্ন দিতে কারণ বিলম্ব করলে রিবেট/ছাড় পাওয়া যাবে না।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews