1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 14, 2026, 8:02 pm

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবকাশ কালীন চেম্বার কোর্ট গঠন

  • Update Time : Saturday, March 14, 2026
  • 76 Time View

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবকাশ কালীন চেম্বার কোর্ট গঠন একটি বিশেষ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। সাধারণত দীর্ঘ ছুটির সময় (যেমন: রমজান, ঈদ, বা বার্ষিক অবকাশ) যখন নিয়মিত আদালত বন্ধ থাকে, তখন জরুরি মামলা নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি এই বিশেষ বেঞ্চ বা চেম্বার কোর্ট গঠন করেন।

নিচে অবকাশকালীন চেম্বার কোর্ট গঠনের বিস্তারিত প্রক্রিয়া ও এর কার্যকারিতা তুলে ধরা হলো:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

. গঠনের উদ্দেশ্য আইনি ভিত্তি:

সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত কার্যক্রম যখন অবকাশের কারণে স্থগিত থাকে, তখন অনেক জরুরি বিষয়ের (যেমন: জামিন, স্থগিতাদেশ বা নিষেধাজ্ঞা) তাৎক্ষণিক শুনানির প্রয়োজন পড়ে। এই সাংবিধানিক প্রয়োজনীয়তা থেকেই অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠিত হয়।

  • কর্তৃত্ব: বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের রুলস অনুযায়ী তার বিশেষ ক্ষমতাবলে এই কোর্ট গঠন করেন।

. বিচারক নিয়োগ সময় সীমা:

অবকাশকালীন পুরো সময় জুড়ে সাধারণত একজন বিচারক দায়িত্ব পালন করেন না। প্রধান বিচারপতি একটি নির্দিষ্ট সূচি বা রোস্টার তৈরি করে দেন।

  • পালা বদল: সাধারণত ছুটির ব্যাপ্তি অনুযায়ী একাধিক বিচারপতিকে ভিন্ন ভিন্ন তারিখের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়।
  • এখতিয়ার: চেম্বার জজ মূলত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে যাওয়ার আগে মামলার প্রাথমিক শুনানি করেন এবং প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করেন।

. চেম্বার কোর্টের কার্য পদ্ধতি:

রেগুলার কোর্টের চেয়ে অবকাশকালীন চেম্বার কোর্টের ধরনে কিছু পার্থক্য থাকে:

  • সাপ্তাহিক সূচি: এটি প্রতিদিন বসে না। সাধারণত সপ্তাহে নির্দিষ্ট দুই বা তিন দিন (যেমন: রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার) শুনানি হয়।
  • ভার্চুয়াল ফিজিক্যাল: বর্তমানে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কখনো সশরীরে (Physical), আবার কখনো ভার্চুয়ালি এই শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

. প্রশাসনিক প্রক্রিয়া (ধাপসমূহ):

একটি জরুরি মামলা কীভাবে অবকাশকালীন চেম্বার কোর্টে পৌঁছায়:

  1. আবেদন দাখিল: আইনজীবীকে প্রথমে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় (Filing Section) মামলা জমা দিতে হয়।
  2. জরুরি শুনানির আবেদন: কেন এটি অবকাশের মধ্যেই শুনানি প্রয়োজন, তার যৌক্তিকতা দেখিয়ে একটি ‘Urgent Application’ করতে হয়।
  3. কার্যতালিকা (Cause List): সংশ্লিষ্ট শাখা আবেদনটি গ্রহণ করলে তা পরের দিনের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অবকাশ কালীন চেম্বার কোর্টের প্রভাব:

এই ব্যবস্থা বিচারপ্রার্থীদের জন্য একটি “সেফটি ভালভ” হিসেবে কাজ করে। যদি কোনো ব্যক্তির মৌলিক অধিকার বা গুরুত্বপূর্ণ আইনি স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার উপক্রম হয়, তবে তিনি পূর্ণাঙ্গ আদালত খোলার অপেক্ষা না করেই প্রতিকার পেতে পারেন।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp