রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক হয়েছে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, আসন্ন নির্বাচনে বড়ো একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে বলে জানিয়েছে ইইউ। এর আগে তারা কোনো পর্যবেক্ষক টিম পাঠায়নি। কারণ তারা মনে করেছে, আগের তিনটি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি।
আসন্ন গণভোটে (যেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন) সরকারের পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই। অর্থাৎ, অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে পারে এই বিষয়ে কোন বাধ্যতামূলক আইন নেই এমনটাই তিনি উল্লেখ করেছেন নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
বিস্তারিত কী বললেন প্রেস সচিব
আইনগতদিক:
প্রেস সচিব জানান, আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন গণভোট প্রসঙ্গে সরকারের প্রচারণা চালাতে আইনগতভাবে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। তাই সরকার চাইলে গণভোটের পক্ষে প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
গণভোটকিওকখনহবে:
গণভোটটি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, যেদিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। এতে ভোটাররা উল্লেখিত প্রশ্নগুলোর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দেবেন।
সরকারকীভাবেপ্রচারণাচালাতেপারে:
কিছু প্রতিবেদন অনুযায়ী (যদিও এটি সরাসরি প্রেস ব্রিফিংয়ের বক্তব্য নয়), সরকার গণভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদের ইমামদের মত অংশীদারদের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছিলো এবং এর জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে বলে উল্লিখিত হয়েছে।
রাজনৈতিকপরিবেশ:
প্রেস সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তারা মনে করছেন, রাজনৈতিক দলগুলোও সম্ভবত এই গণভোটের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত হবে, যদিও তা রাজনৈতিক বাস্তবতায় কেমন হবে তা সময়ই দেখাবে। কিছু অন্যান্য সংবাদে বলা হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো এখনও গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নেমে hasn’t broadly started।
সারসংক্ষেপ:
Leave a Reply