বাংলাদেশে ব্যবসার খরচ বা ‘Cost of Doing Business’ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ট্যাক্স অন ট্যাক্স (Tax on Tax) বা করের ওপর কর। সহজ কথায়, যখন কোনো পণ্যের ওপর একবার ট্যাক্স দেওয়ার পর সেই বর্ধিত মূল্যের ওপর পুনরায় ট্যাক্স ধরা হয়, তখন তাকে ট্যাক্স অন ট্যাক্স বলা হয়।
নিচে এর বিস্তারিত প্রভাব ও কারণগুলো আলোচনা করা হলো:
১. ক্যাসকেডিং ইফেক্ট(Cascading Effect):
এটি হলো ট্যাক্স অন ট্যাক্সের মূল ভিত্তি। ধরুন, একটি কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক দেওয়া হয়েছে। যখন সেই কাঁচামাল দিয়ে পণ্য তৈরি করা হয়, তখন আগের দেওয়া শুল্কসহ মোট মূল্যের ওপর আবার ভ্যাট (VAT) আরোপ করা হয়। এর ফলে পণ্যের দাম চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে।
২. অগ্রিম আয়কর (AIT) ও অগ্রিম কর(AT):
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা আমদানির সময় Advanced Income Tax (AIT) এবং Advance Tax (AT) প্রদান করেন।
৩. একাধিক স্তরে ভ্যাট(Multiple Stages of VAT):
পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে প্রতিবার যখন ভ্যাট যোগ হয়, তখন যদি সঠিক ‘রেয়াত’ (Credit) না পাওয়া যায়, তবে প্রতি স্তরেই খরচ বাড়তে থাকে। অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (SME) এই রেয়াত ব্যবস্থার জটিলতার কারণে দ্বিগুণ করের বোঝা বইতে বাধ্য হন।
৪. নূন্যতম কর (Minimum Tax):
বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানির লাভের পরিবর্তে টার্নওভার বা আয়ের ওপর নির্দিষ্ট হারে ট্যাক্স দিতে হয়।
ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক প্রভাব:
| ক্ষেত্র | প্রভাবের ধরণ |
| পণ্যের মূল্য | করের ভার শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর পড়ে, ফলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে। |
| প্রতিযোগিতা | স্থানীয় পণ্য আমদানিকৃত পণ্যের চেয়ে দামি হয়ে যায়, ফলে দেশি শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। |
| বিনিয়োগ | অতিরিক্ত করের জটিলতার কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা (FDI) নিরুৎসাহিত হন। |
সমাধানের পথ কী হতে পারে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবসার খরচ কমাতে হলে:
Leave a Reply