1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
May 13, 2026, 1:22 am
Title :
সিমেন্ট শিল্পের উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম আয়কর হ্রাসের দাবি আইন পেশার মান আর ও উন্নত করতে চাই: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক রিটার্ন জমার সময় আরও এক মাস বাড়ল কোম্পানি করদাতাদের এনবিআরের নতুন সিদ্ধান্ত ব্যাংক লেনদেনে ট্যাক্স আনার পরিকল্পনা ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবে তামাক কর সংস্কারে শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত স্কুলের বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে: এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান লিগ্যাল এইডের সরকারি খরচে ৩০ হাজার ৪১ জন শ্রমিককে আইনি সেবা প্রদান উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে কর বসাতে চায় এনবিআর টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যে ভাবে আইনি প্রক্রিয়ায়

অডিটের জন্য বাছাই হবে ৬০ হাজার আয়কর রিটার্ন

  • Update Time : Saturday, April 4, 2026
  • 166 Time View

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর ফাঁকি রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আয়কর রিটার্ন অডিটের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। আপনার কাঙ্ক্ষিত তথ্যগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:

অডিট বাছাইয়ের প্রেক্ষাপট:

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) সাধারণত প্রতি বছর দাখিলকৃত মোট রিটার্নের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ অডিটের জন্য নির্বাচন করে। এবার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যে, প্রায় ৬০ হাজার আয়কর রিটার্ন বিস্তারিত যাচাই-বাছাই বা অডিটের আওতায় আনা হবে।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

কেন এই অডিট?

সব রিটার্ন অডিট করা সম্ভব হয় না, তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং নির্দিষ্ট কিছু ঝুঁকির ভিত্তিতে অডিট নির্বাচন করা হয়। প্রধান কারণগুলো হলো:

  • কর ফাঁকি শনাক্তকরণ: আয় গোপন করা হয়েছে কি না তা যাচাই করা।
  • তথ্যের অসঙ্গতি: ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা স্থাবর সম্পদের তথ্যের সাথে রিটার্নের তথ্যের মিল না থাকা।
  • বড় অংকের লেনদেন: যেসব করদাতার বার্ষিক লেনদেন বা নিট সম্পদ অনেক বেশি, তাদের রিটার্ন অগ্রাধিকার পায়।
  • রাজস্ব বৃদ্ধি: সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা।

অডিট প্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করে:

অডিট মূলত দুইভাবে নির্বাচিত হতে পারে:

  1. সিস্টেম ভিত্তিক (Selection): সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঝুঁকি বিবেচনা করে বাছাই করা।
  2. ম্যানুয়াল অডিট: কর কমিশনারের বিশেষ নির্দেশে নির্দিষ্ট কোনো করদাতার ফাইল অডিটে পাঠানো।

অডিটে যা যাচাই করা হয়:

  • বিগত বছরের তুলনায় বর্তমান বছরের আয়ের সামঞ্জস্য।
  • জীবনযাত্রার ব্যয় (Lifestyle Expense) আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কি না।
  • বিনিয়োগ রেয়াত বা করমুক্ত আয়ের স্বপক্ষে সঠিক প্রমাণ বা সার্টিফিকেট আছে কি না।
  • বিদেশে সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না।

করদাতার করণীয় কী:

যদি আপনার ফাইলটি অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়, তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আপনাকে নিচের পদক্ষেপগুলো নিতে হবে:

  • নোটিশ অনুসরণ: এনবিআর থেকে অডিটের নোটিশ আসলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর দিন।
  • নথিপত্র গুছিয়ে রাখা: ব্যাংক স্টেটমেন্ট, খরচের ভাউচার, বিনিয়োগের প্রমাণপত্র এবং আয়ের উৎস সংক্রান্ত সব কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন।
  • পেশাদার পরামর্শ: প্রয়োজনে একজন কর আইনজীবী বা আয়কর পরামর্শকের (ITP) সহায়তা নিন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • স্বনির্ধারণী পদ্ধতি (Self-Assessment): যারা স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন জমা দেন, তাদের ফাইলও অডিটের আওতায় আসতে পারে। তবে অডিটে না পড়া পর্যন্ত তাদের প্রাপ্তি স্বীকারপত্রই চূড়ান্ত কর নির্ধারণী আদেশ হিসেবে গণ্য হয়।
  • জরিমানা: যদি অডিটে কোনো তথ্য গোপন করার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে বকেয়া করের ওপর বড় অংকের জরিমানা এবং মাসিক ২% হারে বিলম্ব সুদ দিতে হতে পারে।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp