বছরজুড়েই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। ২০২৪ সালের নতুন আয়কর আইন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) অনলাইন সিস্টেম চালু হওয়ার পর এই সুবিধাটি যোগ হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে জমা দিলে কিছু নিয়ম ও বাড়তি করের বিষয় থাকে।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
আগে রিটার্ন জমার একটি নির্দিষ্ট ডেডলাইন থাকত এবং সময় পার হয়ে গেলে আবেদন ছাড়া জমা দেওয়া কঠিন ছিল। বর্তমানে ই-রিটার্ন (e-Return) পোর্টালের মাধ্যমে আপনি বছরের যেকোনো দিন আপনার রিটার্ন দাখিল করতে পারেন।
সাধারণত ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য রিটার্ন জমার স্বাভাবিক সময় হচ্ছে ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে এনবিআর এই সময় বাড়িয়ে থাকে। যেমন, ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের জন্য রিটার্ন জমার শেষ সময় ছিল ৩১ মার্চ, ২০২৬।
আপনি যদি অফিসিয়াল ডেডলাইন বা ‘ট্যাক্স ডে’-র পরে রিটার্ন জমা দেন, তবে নিচের বিষয়গুলো প্রযোজ্য হবে:
এনবিআর এখন অনলাইন রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। আপনি etaxnbr.gov.bd পোর্টালে গিয়ে নিজেই নিজের রিটার্ন তৈরি ও জমা দিতে পারবেন।
| বিষয় | সুবিধার দিক | অসুবিধার দিক |
| সুবিধা | শেষ মুহূর্তের ভিড় বা সার্ভার জটিলতা এড়ানো যায়। | নির্দিষ্ট সময় পার হলে বিনিয়োগের ওপর কর রেয়াত পাওয়া যায় না। |
| জরিমানা | সঠিক সময়ে আবেদন করলে জরিমানা মওকুফ হতে পারে। | আবেদন ছাড়া দেরি করলে অতিরিক্ত ২% হারে সুদ দিতে হয়। |
পরামর্শ: জরিমানা এড়াতে এবং পূর্ণ কর রেয়াত সুবিধা পেতে প্রতি বছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে (অথবা ঘোষিত বর্ধিত সময়ের মধ্যে) রিটার্ন জমা দেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
Leave a Reply