বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যটি বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কর নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা নিরসনে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:-
বক্তব্যের মূল ভিত্তি: ‘রেট‘ বনাম‘নেট‘:
বাণিজ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার ট্যাক্স রেট (Tax Rate) বা করের শতাংশ বাড়ানোর পরিবর্তে ট্যাক্স নেট (Tax Net) বা করের আওতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
কেন এই ব্যাখ্যা প্রয়োজন হলো:
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী রাজস্ব আদায় বাড়ানোর বিষয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল যে ব্যক্তিগত আয়কর (Personal Income Tax) হয়তো বাড়ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী সেই সংশয় দূর করতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করেন:
বাণিজ্য মন্ত্রীর বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য দিক সমূহ:
| লক্ষ্য | কৌশল |
| রাজস্ব বৃদ্ধি | ডিজিটাল পদ্ধতিতে কর ফাঁকি রোধ করা। |
| মধ্যবিত্তের সুরক্ষা | বর্তমান আয়কর সীমার (Tax Slab) সুবিধা বজায় রাখা। |
| বৈদেশিক চাপ | আইএমএফ (IMF) এর রাজস্ব বাড়ানোর শর্ত পূরণ করা হবে করের পরিধি বাড়িয়ে। |
বর্তমান কর ব্যবস্থার অবস্থা (এক নজরে):
বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা (নারী ও প্রবীণদের জন্য ৪ লাখ টাকা)। বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী, আগামী বাজেটেও এই সীমা বজায় রাখা বা আরও জনবান্ধব করার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাণিজ্যমন্ত্রী মূলত ক্যাবিনেটের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন যাতে ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নাগরিকরা আস্থার সাথে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারে।
Leave a Reply