1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 4, 2026, 8:24 pm
Title :

ব্যক্তি খাতে কর বাড়ানো হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

  • Update Time : Wednesday, March 4, 2026
  • 55 Time View

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যটি বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কর নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা নিরসনে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:-

বক্তব্যের মূল ভিত্তি: ‘রেটবনামনেট‘:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

বাণিজ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার ট্যাক্স রেট (Tax Rate) বা করের শতাংশ বাড়ানোর পরিবর্তে ট্যাক্স নেট (Tax Net) বা করের আওতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

  • করহার অপরিবর্তিত: যারা বর্তমানে নিয়মিত আয়কর দিচ্ছেন, তাদের ওপর নতুন করে বাড়তি করের বোঝা চাপানো হবে না।
  • নতুন করদাতা শনাক্তকরণ: বাংলাদেশে আয়কর দেওয়ার যোগ্য বিপুল সংখ্যক মানুষ কর জালের বাইরে রয়েছেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর মতে, এই গোষ্ঠীটিকে চিহ্নিত করে করের আওতায় আনলে রাজস্ব আদায় বহুগুণ বাড়বে।
  • ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ: ব্যক্তিগত কর না বাড়িয়ে বিনিয়োগ ও খরচ করার ক্ষমতা (Disposable Income) মানুষের হাতে রাখা গেলে অর্থনীতি আরও সচল থাকবে বলে সরকার মনে করছে।

কেন এই ব্যাখ্যা প্রয়োজন হলো:

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী রাজস্ব আদায় বাড়ানোর বিষয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল যে ব্যক্তিগত আয়কর (Personal Income Tax) হয়তো বাড়ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী সেই সংশয় দূর করতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করেন:

  1. ট্যাক্সজিডিপি অনুপাতের চ্যালেঞ্জ: বাংলাদেশের ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম সর্বনিম্ন (প্রায় ৮-৯%)। এটি অন্তত ১২-১৫% এ নেওয়া জরুরি। তবে মন্ত্রী জানান, এটি করের হার বাড়িয়ে নয়, বরং কর ফাঁকি রোধ করে অর্জন করা হবে।
  2. মূল্যস্ফীতি বিবেচনা: বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠছে। এই অবস্থায় কর বাড়ানো হলে তা সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায্য হবে বলে সরকার মনে করে।
  3. এনবিআরএর সংস্কার: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (NBR) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা হয়রানিমুক্ত উপায়ে নতুন করদাতা খুঁজে বের করে।

বাণিজ্য মন্ত্রীর বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য দিক সমূহ:

লক্ষ্যকৌশল
রাজস্ব বৃদ্ধিডিজিটাল পদ্ধতিতে কর ফাঁকি রোধ করা।
মধ্যবিত্তের সুরক্ষাবর্তমান আয়কর সীমার (Tax Slab) সুবিধা বজায় রাখা।
বৈদেশিক চাপআইএমএফ (IMF) এর রাজস্ব বাড়ানোর শর্ত পূরণ করা হবে করের পরিধি বাড়িয়ে।

বর্তমান কর ব্যবস্থার অবস্থা (এক নজরে):

বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা লাখ ৫০ হাজার টাকা (নারী ও প্রবীণদের জন্য ৪ লাখ টাকা)। বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী, আগামী বাজেটেও এই সীমা বজায় রাখা বা আরও জনবান্ধব করার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাণিজ্যমন্ত্রী মূলত ক্যাবিনেটের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন যাতে ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নাগরিকরা আস্থার সাথে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারে।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp