জ্বালানি (বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ) মন্ত্রণালয় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংক্রান্ত ভ্যাট (ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স) ও কর নিয়ে বিশদ সুপারিশ করেছে, যাতে দেশের বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যায় এবং দাম উর্ধ্ব গতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এই সুপারিশগুলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে (চিঠির মাধ্যমে) জানানো হয়েছে। মূল পয়েন্টগুলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:
১. ভ্যাট কমানোর মূল উদ্দেশ্য:
২. আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট সংশোধন:
৩. স্থানীয় উৎপাদন এবং কর ছাড়:
৪. NBR-কে পাঠানো চিঠির প্রেক্ষাপট:
৫. কেন এই পরিবর্তন প্রস্তাব:
মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশে এলপিজির প্রায় 98% চাহিদা আমদানি ছাড়াই পূরণ হয় না, অর্থাৎ এটি আমদানির ওপর ভর করে। শীতকালে সরবরাহ কমে যায় এবং দাম বাড়ে, যা সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ওপর নেতিবাচক চাপ তৈরি করে। তাই সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্য স্থিতিশীলতার জন্য ভ্যাট কমানোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৬. অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ:
এই সুপারিশ ছাড়াও সরকারি পক্ষ এলপিজি আমদানির ব্যাংক ঋণ/এলসি (Letter of Credit) প্রক্রিয়া সহজ করা এবং এলপিজিকে “সবুজ জ্বালানি (greenfuel)” হিসেবে বিবেচনা করে কর সুবিধা দেওয়ার মত উদ্যোগগুলোরও কথা বিবেচনা করছে।
সংক্ষেপে:
আমদানিতে ভ্যাট 15% থেকে কমিয়ে 10%-এর নিচে আনার সুপারিশ
স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও কর থেকে ছাড়ের প্রস্তাব
NBR-কে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বাস্তবায়নের জন্য
উদ্দেশ্য: এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও বাজার দাম নিয়ন্ত্রণ করা
Leave a Reply